পোস্টগুলি

দেশ ও মানুষ লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

তাবলিগ জামাতের শুরু কীভাবে?

ছবি
    তাবলিগ জামাতের শুরু কীভাবে?  ফিরোজ মাহবুব কামাল:  তাবলিগ জামাতের শুরু ১৯২৬ সালে উত্তর ভারতের মেওয়াত নামক এলাকা থেকে। মেওয়াত হলো দিল্লির দক্ষিণে হরিয়ানার একটি এলাকা। পূর্বে এলাকাটি পূর্ব পাঞ্জাবের অন্তর্ভূক্ত ছিল। তাবলিগ জামাতের ধারণা,লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কর্মপদ্ধতি রচনা করেন মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস। ইনি ছিলেন উত্তর ভারতের শাহরানপুরের মাযহারুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক। তিনি ধর্মীয় শিক্ষা লাভ করেন দেওবন্দ মাদ্রাসায়। এদিক দিয়ে বলা যায়,তাবলিগ জামাত হলো দেওবন্দী আন্দোলনের একটি শাখা। ঔপনিবেশিক ব্রিটিশের হাতে রাজনৈতিক ক্ষমতা হারানোর পর মুসলমানগণ শুধু শক্তিহীনই হয়নি,ধর্মীয়,সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক ভাবে প্রাণহীনও হয়ে পড়ে। লোপ পায় তাদের আত্মবিশ্বাস;চেপে বসে নিদারুন হতাশা,বিভক্তি ও বিশৃঙ্খলা। অপর দিকে প্রাণশক্তির নবজোয়ার শুরু হয় হিন্দুদের মাঝে। ব্রিটিশ শাসকদের পার্টনার রূপে তারা শাসকশক্তির কাছাকাছি পৌঁছার সুয়োগ পায়,ফলে শিক্ষা,অর্থনীতি,রাজনীতি ও প্রশাসনে তারা দ্রুত এগিয়ে যায়। পায় নবশক্তি। হিন্দুরা তখন এতটাই আত্মবিশ্বাসী হয়ে পড়ে যে তাদের মাঝে প্রবলতর হয় মুসলমানদেরকে ...

আইএসের মগজ ধোলাই পদ্ধতি....

ছবি
আইএসের মগজ ধোলাই পদ্ধতি.... গুলশান ট্রাজেডীর পর হামলাকারীরা অধিকাংশ সরকার সমর্থক ধনী,শিক্ষিত পরিবারের,সুদর্শন এবং নামকরা ব্যয়বহুল নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ও স্কলাসটিকার মত প্রতিষ্ঠানের ছিল বলে মিডয়ায় প্রকাশ পায়।তার পরই সচেতন মহলের টনক নড়ে।অাগে অধিকাংশের বদ্ধমূল জঙ্গী মানেই মাদ্রাসার হবে হয়েতা।গুলশান ট্রাজেডীর পর হামলাকারী সুদর্শন,শিক্ষিত নিবরাস ইসলামের মগজ ধোলাই কিভাবে সম্ভব!!! তা এখন অনলাইনে ভাইরাল।কারযার ম্যাগাজিনের একটি ফিচারের ভাষায় দেখা যাক আইএসের মগজ ধোলাই পদ্ধতি..... অ্যালেক্স, ২৩ বছর বয়সী নারী। পেশায় বাচ্চাদের স্কুল শিক্ষক। উত্তেজনায়, ভয়ে কাঁপছিল সে। ঠিক যেদিন সে টুইটারে তার লোমহর্ষ ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়ার কাহিনী তুলে ধরেছেন তার ফলোয়ারদের কাছে। কিছুদিন পর, আলেক্স নতুন একটা দলের সদস্যদের খুব কাছাকাছি অনলাইনে ভিড়তে শুরু করে দেয়। সেই দলের লোকজনদের মাঝে এত প্রাণচাঞ্চল্য, এত উৎসাহ, উদ্দীপনা আগে কখনো কোনো দলে দেখা যায়নি। যারা তাকে ‘ইসলাম কি’ এই বিষয়ে জ্ঞানদান করে চলছিল। তারা তাকে জানিয়েছিল, ইসলামিক স্টেট সম্পর্কে। এছাড়া জানিয়েছিল, কিভাবে মহান আল্লাহর আইনে সি...

৪৫ বছরের ক্রমাগত সন্ত্রাস, দখল, ক্ষমতার দাপট এনার্খীর সৃস্টি করছে।

ছবি
৪৫ বছরের ক্রমাগত সন্ত্রাস, দখল, ক্ষমতার দাপট এনার্খীর সৃস্টি করছে। ঢাকায় যা ঘটছে এটা এনার্খীর ফসল; যারা খুন করেছে ও নিজেরা নিহত হয়েছে, এরা জীবনের কোন অংশে, কোন কারণে আত্মহত্যা করার সম্ভাবনা ছিল। বাংলাদেশ, তার জনসংখ্যা, শিক্ষা, সরকার, প্রশাসন, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজিক অবস্হা, বেকারত্ব নিয়ে যে পজিশনে আছে, এ ধরণের ঘটনা খুবই সম্ভব; এটা এই ধরণের ঘটনার শুরু; সরকারের পদক্ষেপ, সরকারের ব্যাখ্যা, সরকারের রিএ্যাকশন পর্যবেক্ষণ করলে মনে হচ্ছে, সরকার ঘটনার সুদুর প্রসারী প্রভাব বুঝতে সক্ষম নয়, অথবা সরকার কমপক্ষে খুব একটা চিন্তিত নয়। এনার্খী হচ্ছে, সরকারের উপস্হিতি অস্বীকার করা, দেশের আইন না মানা, দেশের প্রচলিত আইনের বাহিরে কোন গোস্ঠীর, কোন দলের মতামতকে, বিশ্বাসকে চালু করার প্রচেস্টা, বিশৃংলা সৃস্টি করে দেশ ও সমাজকে ভীতির মাঝে রাখা। যারা সমাজ, দেশ, সরকারের সাথে বিবিধ কারণে, চলতে পারে না, তাল মিলাতে পারে না, তারা এনার্খীর দিকে চলে যায় ক্রমে। এমন কি ক্ষমতাসীন গ্রুপও দেশের আইন কানুনের বাহিরে নিজের ইচ্ছাকে কার্যকরী করতে গিয়ে, ক্রমাগতভাবে রিপাবলিকের আইন ভংগ করতে করতে এনার্খী চালু করে দেয়...

জামাতের অন্তরালের কথা

ছবি
জামাতের অন্তরালের কথা জামাত হল একটি ব্যাবসায়িক সিন্ডিকেট এর নাম , অনেকটা এম এল এম কোম্পানি গুলোর মত ,এনজিও ও বলা যেতে পারে । বাংলাদেশে একটি বড় এম এল এম কোম্পানি হল ডেসটিনি এবার আসুন এই এম এল এম কোম্পানির সাথে জামাত শিবির এর মিল গুলো খুঁজে দেখা যাক, ডেস্টিনি গাছ , তারপর পয়েন্ট বাড়লে টাকা পাওয়া যাবে বলে মানুষকে বোকা বানায় , একিভাবে জামাতও ধর্মকে পুঁজি করে ব্যাবসা করে ।ডেস্টিনিতে ভাল পারফর্ম করলে প্লাটিনাম , গোল্ড , ডায়মন্ড , পিএইসডি ইত্যাদি পোস্ট দেওয়া হয় সাথে সাথে সুযোগ সুবিধাও বাড়তে থাকে, একিভাবে জামাত শিবিরেও ভাল পারফর্ম করলে কর্মী,সাথী , রোকন ,নায়েবে আমির , আমির ইত্যাদি পদবী দেওয়া হয় । ডেস্টিনির লোকেরা তাদের ব্যাবসা ছাড়া কিছুই বোঝে না , তাদের মাথায় খালি এই ব্যাবসার ফান্দে মানুষরে ডোকানোর ফন্দি ঘোরে , একিভাবে জামাত শিবির ও কোমল মতি ছাত্র দের ব্রেইন ওয়াস করে, এছাড়াও মানুষের অর্থনৈতিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তারা টিউশনি, চাকরি , হোস্টেলে থাকবার সুযোগ করে দিয়ে তাদের ফান্দে ফেলে অনেক মেধাবী ছাত্র কেও তাদের দলে বিড়াই । মুসলমানদের এইদেশে উন্নয়নের জন্যে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা অন...

আপনাদের বাচ্চাটা আশেপাশের আর সব বাচ্চার মত সাধারণ না। অসাধারণ।

ছবি
আপনাদের বাচ্চাটা আশেপাশের আর সব বাচ্চার মত সাধারণ না। অসাধারণ। পাশের বাসার পিচ্চিটার নাম রায়াত। বয়েস গত ফেব্রুয়ারীতে তিন হয়েছে। ভাতিজার নামে নাম আর দেখতে পুরাই জাপানিজ বাচ্চাদের মত কিউট বলে খুবই আদর লাগে। বাসায় আসলে সোজা আমার রুমে চলে আসে আর ঘুরঘুর করতে থাকে, এটা ওটা ধরে। বোতল ওর কাছে খুবই প্রিয়, ও আবার ছিপি দেখতেই পারে না। তাহলে বুঝেন পানিভর্তি বোতল ওর নাগালে গেলে কি হয়!! ওর প্রিয় বস্তুর লিস্টে আরও অনেক কিছু আছে তা পরে বলছি। এখন ও কে নিয়ে আমাদের পুরো এপার্টমেন্টের উদ্বিগ্ন। ওর চিকিৎসক আব্বা-আম্মার উদ্বিগ্নতা আমার চোখে পড়েনি। সমস্যা হল- ও কথা বলে না। বয়স যখন ১০ কি ১১ মাস তখন একটু একটু কথা বলেছিল, মাম-পাপ্পা-দাদ্দা-বুব্বু এসব বলত কিন্তু এরপর থেকে একেবারেই অফ। আগে হাসত এখন হাসেও না। কাঁদেও কদাচিৎ। কাঁদলে অবশ্য পাড়ায় খবর হয়ে যায়। আমরা ওর আব্বাকে জিজ্ঞেস করি- ‘আঙ্কেল ও কথা বলে না কেন, আগে তাও বলত’ আঙ্কেল বলে- ‘কথা বলবে সমস্যা নাই কোন’। ওর বাবা যেহেতু নিজে একজন শিশু বিশেষজ্ঞ, তাই উনার কথায় ভরসা পাই। ছেলেটার মেজাজ দিনকে দিন তিরিক্ষি হচ্ছে সেটা বুঝত...

যখন আপনি সমাজের সিরিয়াস কিছু ইস্যু নিয়ে কথা বলবেন ………

ছবি
যখন আপনি সমাজের সিরিয়াস কিছু ইস্যু নিয়ে কথা বলবেন ……… সমস্যা হচ্ছে আপনি যখন সমাজের সিরিয়াস কিছু ইস্যু নিয়ে কথা বলবেন, সলিউশনের উপায় বের করার চেষ্টা করি, তখন আশপাশের মানুষ ছুটে আসে। ছুটে আসে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে। ডিমোরালাইজ করে। আসলে যারা সমস্যায় ডুবে আছে, তাদের শত চেষ্টাতেও বুঝানো কষ্টকর হয়ে যায়। যাদের মূলেই প্রবলেম, তারা তখন উপরের শাখাপ্রশাখা কি বুঝবে?! আর একজন মানুষ একটা জিনিস যা চিন্তা করে, যেভাবে চিন্তা করে, আরেকজন মানুষ তেমন ভাবে চিন্তা করে না। দুইটি চিন্তা এক লেভেলে আসাটাই হল সবচেয়ে Toughest Part. নারী পুরুষের ফিতনা নিয়ে যা হচ্ছে এই সমাজে তা নিয়ে অনেক কথা বলা যায...

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক হত্যাকান্ড এবং কিছু ভাবনা

ছবি
Sajeeb বাংলাদেশে সাম্প্রতিক হত্যাকান্ড এবং কিছু ভাবনা বাংলাদেশের সংখ্যালঘু (?) দের হত্যা সেটি মিডিয়ায় জোড়ালো ফোকাস, সেই সাথে সাইট ইনটেল এর বিবৃতি, বিএনপি কোন এক নেতার সাথে ইসরাইলির ছবি প্রকাশ সেটিকে মিডিয়ায় জোরালো তুলে ধরা সেই সাথে ভারত পন্থী বুদ্ধিজীবিদের বিএনপি জামায়াতের সাথে ইসরাইলের সম্পর্ক খুজার চেষ্টা, পুলিশের স্ত্রীর হত্যা স্বারাষ্ট্রমন্ত্রীর মোসাদের কানেকশনের সাথে বিএনপি-জামায়াতের সংযোগ খুজার চেষ্টা, খুজার চেষ্টা খারাপ না কিন্তু সেটিকে ফ্যাক্ট হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা, আওয়ামীলীগের সাথে বাংলাদেশের জামায়াত বিদ্বেষী ইসলামী দল গুলোর সাথে সম্পর্কন্নোয়নের চেষ্টা, জামায়াতের নেতৃবিন্দের ফাসি। সব গুলোকে যদি কেউ সুক্ষ্নভাবে চিন্তা করে তাহলে একটি প্রশ্ন প্রথমে সামনে ভেসে উঠে যে লাভ কার? হুমম, আসলেই লাভটি কার? সবার নাম বার বার আসে, আসে মোসাদের নাম ইসরাইলের নাম, ভারতের “RAW” এর নামটি কেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী উচ্চারন করলেন না? নেতৃবিন্দের একের পর এক ফাসি, থানা ইউনিয়ন পর্যায়ের জামায়াত-শিবিরের নেতারে পিটিয়ে কোমড় ভেংগে দিয়েছে সরকারী বাহিনী। এক একটি হত্যাকান্ডের আগে বা পরে...